1. admin@visionsangbad24.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ আফগানিস্তানের স্বাধীনতা দিবস: ১৫ আগস্টে নতুন অধ্যায়ের পাঁচ বছর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে মামুনুল আসিফ মাহমুদের সময়ে নিয়োগ-পদোন্নতি-বদলির নথি তলব দুদকের মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য হলেন ৫ আলেম বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুসলিম বিশ্বের শান্তিরক্ষায় অবদান রাখতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মক্কা চুক্তি মুসলিম বিশ্বের জন্য উপকারী: মাওলানা জাবিহুল্লাহ প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ জানালেন শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি সংসদে বক্তব্য নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি: দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার প্রতিবাদে পূর্বধলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

মেসেঞ্জারে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়ে যায়? জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন যোগাযোগের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ব্যক্তিগত সম্পর্কসহ বিয়ের ক্ষেত্রেও। ফলে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্য কোনো অনলাইন মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া এবং অপর পক্ষ ‘কবুল’ বললে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয় কি না।

 

এ বিষয়ে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, শুধু মেসেঞ্জারে ‘কবুল’ বললেই ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয় না।

 

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৈধ বিবাহের জন্য শরিয়তের নির্ধারিত কিছু শর্ত পূরণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে ইজাব-কবুল, সাক্ষীর উপস্থিতি এবং মোহর নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য শর্ত রয়েছে। শুধু লিখিত বার্তার মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে তা একাই বৈধ বিবাহের জন্য যথেষ্ট নয়।

 

শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ও মেয়ে মেসেঞ্জার বা অন্য কোনো অনলাইন মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব আদান-প্রদান করেন এবং একাধিকবার ‘কবুল’ বলেন—তবুও শরিয়তের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হলে সেটিকে বৈধ বিবাহ হিসেবে গণ্য করা হবে না।

 

সাক্ষীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ

 

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, বিয়ের ক্ষেত্রে সাক্ষীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রচলিত ফিকহি ব্যাখ্যায় সাধারণভাবে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সাক্ষী অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়।

 

এ প্রসঙ্গে একটি হাদিসে এসেছে—‘অভিভাবক এবং দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া বিয়ে (শুদ্ধ) হয় না।’ (ইবনে হিব্বান)

 

তবে বিয়ের আকদ অনুষ্ঠানে আলাদা করে নির্দিষ্ট দুজন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে নির্বাচন করাই সব ক্ষেত্রে অপরিহার্য নয়। কোনো স্থানে বিয়ের ইজাব-কবুল অনুষ্ঠিত হলে এবং সেখানে উপস্থিত যোগ্য ব্যক্তিরা তা শুনতে পেলে, তারা সাক্ষীর শর্ত পূরণ করতে পারেন—এমন ব্যাখ্যাও আলেমদের মধ্যে পাওয়া যায়।

 

শুধু অনলাইন বার্তা যথেষ্ট নয়

 

এদিকে অনলাইনে বিয়ের প্রস্তাব ও সম্মতির বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে শরিয়তের নির্ধারিত নিয়ম ও শর্তগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

অর্থাৎ, শুধু মেসেঞ্জার বা অন্য কোনো মাধ্যমে ‘কবুল’ লেখা কিংবা বলা নয়; বরং বৈধ বিবাহের জন্য ইসলামী শরিয়তের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে ইজাব-কবুল সম্পন্ন করতে হবে।

 

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD